দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ রাজেন্দ্রপুর মুজাহিদনগর আন্ডারপাস সংলগ্ন অবৈধভাবে চলছে প্লাস্টিক রিসাইক্লিং
- আপডেট সময় : ০৫:২২:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা জেলা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ সংলগ্ন তেঘরিয়া আন্ডারপাসের পরবর্তী আন্ডারপাস অর্থাৎ রাজেন্দ্রপুর র্যাব-১০ কার্যালয়ের আগে রেনাটা লিমিটেড মেডিসিন ফ্যাক্টরির পাশাপাশি একটি ৩ তলা বহুতল ভবনে ছাড়পত্রবিহীন অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে প্লাস্টিক ও পলিথিন রিসাইক্লিং কারখানা। কারখানাটি জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন পত্রিকার স্থানীয় সাংবাদিকদের নজরে এলে প্রশ্নবিদ্ধ করার পূর্বেই প্রতিষ্ঠানের কর্নধার ওরফে বাবু অর্থের বিনিময়ে সবরকম পরিস্থিতি সামাল দিয়ে দেয়, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন ১ কিলোমিটারের কম দূরত্বেই রয়েছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার পাশাপাশি নির্দিষ্ট দূরত্বের আগেই আবাসিক এলাকা, স্কুল-কলেজ যা ছাড়পত্রের নিয়মবহির্ভূতের মধ্যে পড়েও পদক্ষেপ নিচ্ছেনা জেলা প্রশাসক থেকে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। দৃশ্যমান প্রতিষ্ঠানটি বিদ্যুৎ সংযোগ অবৈধ ভাবে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ লাইন ব্যবহার করে দিনের পর দিন, বছরের পর বছর আইনের নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছে প্লাস্টিক রিসাইকেলিং কার্যক্রম।
জানা যায়, পলিথিন রিসাইক্লিনের মাধ্যমে পুনর্ব্যবহারের উপযোগী পণ্য তৈরি করা হয়। রিসাইক্লিনের জন্য রোদে শুকাতে দেওয়া হচ্ছে পলিথিনগুলো। ওই পলিথিনগুলো বেশ কিছু শ্রমিক মুখে মাস্ক ব্যবহার না করেই ময়লা আবর্জনা থেকে বাছাই করছেন। এতে করে স্বাস্থ্যের ঝুঁকিতে রয়েছেন শ্রমিকরা। এছাড়াও সামান্য বাতাস হলেই এসব পলিথিনের টুকরো উড়ে যাচ্ছে পাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও সড়কে। এতে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।
এ ব্যাপারে পরিবেশবাদী সংগঠন সবুজ আন্দোলন ছাত্র পরিষদের চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার জানান, সরকারি বিধিনিষেধ না মেনেই গড়ে উঠা কারখানাটিতে প্লাস্টিক ও পলিথিন বাজারজাত হওয়ায় সেখানকার পরিবেশ হুমকির মুখে পড়বে। তাই জনস্বার্থে অবৈধ কারখানাটি বন্ধের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
ঢাকা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ইলিয়াস মাহমুদ জানান, মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগের পাশাপাশি আমরা তদন্ত করে দেখবো যদি অভিযোগের সাথে কারখানা পরিদর্শন করে সত্যতা মিল পেলে পরবর্তী প্রসিডিওর অনুযায়ী এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।










