ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল জালিয়াতি, ঘুষ ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ” তুরস্কে ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাত বিষাক্ত মদে পর্যটক মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি লাওস যুক্তরাষ্ট্র সফরে ৪৮টি চুক্তি ও অংশীদারিত্বে সই ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশবান্ধব খাতা কলম তৈরি করে সুনাম কুড়িয়েছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শরিফুল বিভিন্ন জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা আই হ্যাভ এ প্ল্যান’- ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন দেশবাসীকে : তথ্যমন্ত্রী এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ৩ বছর বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-মহাসড়ক দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ: সড়ক প্রতিমন্ত্রী

বিভিন্ন জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ১০৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

 

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদফতরের আঞ্চলিক অফিসগুলো থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকার দপ্তর ও সংস্থাসমূহ চলমান আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস, পাহাড়ধস এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

 

জেলা তথ্য অফিস চট্টগ্রামের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী আবহাওয়ার পূর্বাভাসে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আগামী ২ থেকে ৩ দিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ১২ জুলাই দুপুর ২টা থেকে রেল চলাচল স্বাভাবিক আছে।

 

চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। ছয়টি উপজেলায় (সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, সন্দ্বীপ) অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

চট্টগ্রাম মহানগরের ২৫টি ওয়ার্ডসহ বন্যায় প্লাবিত ১শ ৭৬টি ইউনিয়নের মধ্যে অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬৩টি ইউনিয়ন। এছাড়া আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ৯ হাজার ২শ ৮টি, সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ৬ হাজার ২০টি, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪শ ৫টি, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৫শ ৯২ কিলোমিটার ও ক্ষতিগ্রস্ত সেতু বা কালভার্ট ১শ ৬৯টি এবং মৃত ব্যক্তির সংখ্যা ১৬ জন।

 

এতে আরও জানানো হয়, জেলায় ৬শ ৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছিল। বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় সবাই আশ্রয় কেন্দ্র থেকে ফিরে গেছে। ১২শ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ ৯৫ লাখ টাকা ত্রাণ বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৮০ মেট্রিক টন চাল, ৮৩ দশমিক ৭৫ লাখ টাকা এবং ৫৬ হাজার ১শ প্যাকেট শুকনো খাবার ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

 

এছাড়া বাঁশখালী উপজেলায় ৮টি, সাতকানিয়া উপজেলায় ১০টি, চন্দনাইশ উপজেলায় ৬টি, রাউজান উপজেলায় ২টি ও রাংগুনিয়া উপজেলায় ৩টি সহ মোট ২৯টি পয়েন্টে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সংযোগ বিছিন্ন হওয়া সড়কগুলো দ্রুত চলাচল উপযোগী করার জন্য কাজ শুরু হয়েছে।

 

জেলা তথ্য অফিস খাগড়াছড়ির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলায় এখন বৃষ্টি নেই এবং নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধস বা ভূমিধস এর ঘটনা ঘটেনি। অধিকাংশ এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেছে। জেলায় অধিক ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ২শ ৭৫টি এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ৭শ ৬৬টি। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, ফসলের মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১১ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা ৭ হাজার ৩শ ৪৪ জন। মৎস্য খাতে মোট ক্ষতির পরিমান ৬ কোটি ৫১ লাখ টাকা। ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, ৪শ মেট্রিকটন চাল, ৪০ লাখ টাকা, ৪৬ বান্ডিল ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে। মজুদকৃত ত্রাণের পরিমাণ ১শ মেট্রিক টন চাল, ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ৪৬ বান্ডিল ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস, কক্সবাজারের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধস বা ভূমিধস এর ঘটনা ঘটেনি। অধিক ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ২ হাজার ৪শ ৭৫টি এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ৫ হাজার ৭শ ৭৩টি। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ৮০ কোটি টাকা। মৎস্য খাতে মোট ক্ষতির পরিমান ৪৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। জেলায় প্রাপ্ত ত্রাণ ৬শ ৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, ৪শ ৪৫ মেট্রিকটন চাল এবং ৪৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস, কক্সবাজারের কর্তৃক ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস, বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার ও মাইকিং অব্যাহত রয়েছে।

 

জেলা তথ্য অফিস হবিগঞ্জের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী হবিগঞ্জ সদর, বাহুবল ও বানিয়াচং উপজেলাসহ মোট ৩টি উপজেলা খোয়াই নদী ভাঙনে আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় ৪ হাজার ৫শ ৫০টি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়ে। বর্তমানে বৃষ্টি কম হওয়ায় প্লাবিত এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে।

 

জেলা তথ্য অফিস মৌলভীবাজার সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর উপজেলায় ১২টি ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। সরকারের গৃহীত কার্যক্রমসমূহ-বন্যার্তদের জন্য ৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস বান্দরবান থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে দূর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ২০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিভিন্ন জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে

আপডেট সময় : ০৮:৩৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

 

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদফতরের আঞ্চলিক অফিসগুলো থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকার দপ্তর ও সংস্থাসমূহ চলমান আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস, পাহাড়ধস এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

 

জেলা তথ্য অফিস চট্টগ্রামের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী আবহাওয়ার পূর্বাভাসে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আগামী ২ থেকে ৩ দিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ১২ জুলাই দুপুর ২টা থেকে রেল চলাচল স্বাভাবিক আছে।

 

চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। ছয়টি উপজেলায় (সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, সন্দ্বীপ) অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

চট্টগ্রাম মহানগরের ২৫টি ওয়ার্ডসহ বন্যায় প্লাবিত ১শ ৭৬টি ইউনিয়নের মধ্যে অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬৩টি ইউনিয়ন। এছাড়া আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ৯ হাজার ২শ ৮টি, সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ৬ হাজার ২০টি, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪শ ৫টি, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৫শ ৯২ কিলোমিটার ও ক্ষতিগ্রস্ত সেতু বা কালভার্ট ১শ ৬৯টি এবং মৃত ব্যক্তির সংখ্যা ১৬ জন।

 

এতে আরও জানানো হয়, জেলায় ৬শ ৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছিল। বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় সবাই আশ্রয় কেন্দ্র থেকে ফিরে গেছে। ১২শ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ ৯৫ লাখ টাকা ত্রাণ বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৮০ মেট্রিক টন চাল, ৮৩ দশমিক ৭৫ লাখ টাকা এবং ৫৬ হাজার ১শ প্যাকেট শুকনো খাবার ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

 

এছাড়া বাঁশখালী উপজেলায় ৮টি, সাতকানিয়া উপজেলায় ১০টি, চন্দনাইশ উপজেলায় ৬টি, রাউজান উপজেলায় ২টি ও রাংগুনিয়া উপজেলায় ৩টি সহ মোট ২৯টি পয়েন্টে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সংযোগ বিছিন্ন হওয়া সড়কগুলো দ্রুত চলাচল উপযোগী করার জন্য কাজ শুরু হয়েছে।

 

জেলা তথ্য অফিস খাগড়াছড়ির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলায় এখন বৃষ্টি নেই এবং নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধস বা ভূমিধস এর ঘটনা ঘটেনি। অধিকাংশ এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেছে। জেলায় অধিক ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ২শ ৭৫টি এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ৭শ ৬৬টি। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, ফসলের মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১১ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা ৭ হাজার ৩শ ৪৪ জন। মৎস্য খাতে মোট ক্ষতির পরিমান ৬ কোটি ৫১ লাখ টাকা। ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, ৪শ মেট্রিকটন চাল, ৪০ লাখ টাকা, ৪৬ বান্ডিল ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে। মজুদকৃত ত্রাণের পরিমাণ ১শ মেট্রিক টন চাল, ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ৪৬ বান্ডিল ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা তথ্য অফিস, কক্সবাজারের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধস বা ভূমিধস এর ঘটনা ঘটেনি। অধিক ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ২ হাজার ৪শ ৭৫টি এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ৫ হাজার ৭শ ৭৩টি। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ৮০ কোটি টাকা। মৎস্য খাতে মোট ক্ষতির পরিমান ৪৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। জেলায় প্রাপ্ত ত্রাণ ৬শ ৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, ৪শ ৪৫ মেট্রিকটন চাল এবং ৪৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস, কক্সবাজারের কর্তৃক ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস, বন্যা এবং বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার ও মাইকিং অব্যাহত রয়েছে।

 

জেলা তথ্য অফিস হবিগঞ্জের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী হবিগঞ্জ সদর, বাহুবল ও বানিয়াচং উপজেলাসহ মোট ৩টি উপজেলা খোয়াই নদী ভাঙনে আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় ৪ হাজার ৫শ ৫০টি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়ে। বর্তমানে বৃষ্টি কম হওয়ায় প্লাবিত এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে।

 

জেলা তথ্য অফিস মৌলভীবাজার সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর উপজেলায় ১২টি ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। সরকারের গৃহীত কার্যক্রমসমূহ-বন্যার্তদের জন্য ৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস বান্দরবান থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে দূর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ২০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।