ঢাকা ১০:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল জালিয়াতি, ঘুষ ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ” তুরস্কে ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাত বিষাক্ত মদে পর্যটক মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি লাওস যুক্তরাষ্ট্র সফরে ৪৮টি চুক্তি ও অংশীদারিত্বে সই ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশবান্ধব খাতা কলম তৈরি করে সুনাম কুড়িয়েছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শরিফুল বিভিন্ন জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা আই হ্যাভ এ প্ল্যান’- ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন দেশবাসীকে : তথ্যমন্ত্রী এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ৩ বছর বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-মহাসড়ক দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ: সড়ক প্রতিমন্ত্রী

সাব রেজিস্ট্রার মোজাফফর হোসেন আড়াই বছর যাবত একই দপ্তরে বহাল থেকে টংগীবাড়ি সাব রেজিস্ট্রি অফিসকে অন্যান্য উপজেলাগুলোর চাইতে নিয়মবহির্ভূত কাজে কয়েকধাপ এগিয়ে নিয়েছে ‎

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৬৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‎মুন্সীগঞ্জ জেলার টংগিবাড়ী সাবরেজিস্ট্রি অফিসে সেরেস্তা খরচের নামে চলছে চাঁদাবাজি। সরকার নির্ধারিত রেজিস্ট্রি ফির বাইরেও দলিল বাবদ মৌজার রাউন্ড ফিগারে প্রতি লাখে ১ শতাংশ অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে। পরে এই টাকার বেশির ভাগ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন। বাকি অংশ যায় দলিল লেখক সমিতিতে।

‎কয়েকজন দলিল লেখকের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে অফিসি ঝামেলা মেটানোর নামে যে অতিরিক্ত টাকা করা হয়, তাকেই সেরেস্তা খরচ বলা হয়। অফিসের সঙ্গে দলিল লেখক সমিতির নেতাদের যোগসাজশ

‎সেরেস্তা খরচের নামে চলছে চাঁদাবাজি। সরকার নির্ধারিত রেজিস্ট্রি ফির বাইরেও দলিল বাবদ মৌজার রাউন্ড ফিগারে প্রতি লাখে ১ শতাংশ অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে। পরে এই টাকার বেশির ভাগ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন। বাকি অংশ যায় দলিল লেখক সমিতিতে।

‎কয়েকজন দলিল লেখকের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে অফিসিয়াল ঝামেলা মেটানোর নামে যে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়, তাকেই সেরেস্তা খরচ বলা হয়। অফিসের সঙ্গে দলিল লেখক সমিতির নেতাদের যোগসাজশ থাকার কারণেই অবৈধ সেরেস্তা খরচের টাকা আদায় বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। অথচ বদনাম হচ্ছে সাধারণ দলিল লেখকদের।

‎প্রাতিষ্ঠানিক টিমের তদন্তে উঠে আসা একটি ভিডিও ফুটেছে দেখা যায়, “অফিসের নকল নবিশ শাহাদাত হোসেন প্রতিবেদকের সাথে দলিলে মৌজার বাজারমূল্য সরকারি পে-অর্ডারের বিষয়ে কথপোকথনকালে অতিরিক্ত অফিস খরচ অর্থাৎ (অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সেরেস্তা বাবদ) ১ শতাংশ দিতে হবে”।

‎ভুক্তভোগীরা বলেন, সেরেস্তা খরচের নামে বাড়তি টাকা আদায়ের বিষয়টি ওপেন সিক্রেট।

‎উপজেলা সাবরেজিস্ট্রার মো: মোজাফফর হোসেন’কে মুঠোফোনে কল করা হলে পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সাব রেজিস্ট্রার মোজাফফর হোসেন আড়াই বছর যাবত একই দপ্তরে বহাল থেকে টংগীবাড়ি সাব রেজিস্ট্রি অফিসকে অন্যান্য উপজেলাগুলোর চাইতে নিয়মবহির্ভূত কাজে কয়েকধাপ এগিয়ে নিয়েছে ‎

আপডেট সময় : ১২:৫৯:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

‎মুন্সীগঞ্জ জেলার টংগিবাড়ী সাবরেজিস্ট্রি অফিসে সেরেস্তা খরচের নামে চলছে চাঁদাবাজি। সরকার নির্ধারিত রেজিস্ট্রি ফির বাইরেও দলিল বাবদ মৌজার রাউন্ড ফিগারে প্রতি লাখে ১ শতাংশ অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে। পরে এই টাকার বেশির ভাগ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন। বাকি অংশ যায় দলিল লেখক সমিতিতে।

‎কয়েকজন দলিল লেখকের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে অফিসি ঝামেলা মেটানোর নামে যে অতিরিক্ত টাকা করা হয়, তাকেই সেরেস্তা খরচ বলা হয়। অফিসের সঙ্গে দলিল লেখক সমিতির নেতাদের যোগসাজশ

‎সেরেস্তা খরচের নামে চলছে চাঁদাবাজি। সরকার নির্ধারিত রেজিস্ট্রি ফির বাইরেও দলিল বাবদ মৌজার রাউন্ড ফিগারে প্রতি লাখে ১ শতাংশ অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে। পরে এই টাকার বেশির ভাগ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন। বাকি অংশ যায় দলিল লেখক সমিতিতে।

‎কয়েকজন দলিল লেখকের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে অফিসিয়াল ঝামেলা মেটানোর নামে যে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়, তাকেই সেরেস্তা খরচ বলা হয়। অফিসের সঙ্গে দলিল লেখক সমিতির নেতাদের যোগসাজশ থাকার কারণেই অবৈধ সেরেস্তা খরচের টাকা আদায় বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। অথচ বদনাম হচ্ছে সাধারণ দলিল লেখকদের।

‎প্রাতিষ্ঠানিক টিমের তদন্তে উঠে আসা একটি ভিডিও ফুটেছে দেখা যায়, “অফিসের নকল নবিশ শাহাদাত হোসেন প্রতিবেদকের সাথে দলিলে মৌজার বাজারমূল্য সরকারি পে-অর্ডারের বিষয়ে কথপোকথনকালে অতিরিক্ত অফিস খরচ অর্থাৎ (অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সেরেস্তা বাবদ) ১ শতাংশ দিতে হবে”।

‎ভুক্তভোগীরা বলেন, সেরেস্তা খরচের নামে বাড়তি টাকা আদায়ের বিষয়টি ওপেন সিক্রেট।

‎উপজেলা সাবরেজিস্ট্রার মো: মোজাফফর হোসেন’কে মুঠোফোনে কল করা হলে পাওয়া যায়নি।