সাব রেজিস্ট্রার মোজাফফর হোসেন আড়াই বছর যাবত একই দপ্তরে বহাল থেকে টংগীবাড়ি সাব রেজিস্ট্রি অফিসকে অন্যান্য উপজেলাগুলোর চাইতে নিয়মবহির্ভূত কাজে কয়েকধাপ এগিয়ে নিয়েছে
- আপডেট সময় : ১২:৫৯:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৬৪ বার পড়া হয়েছে
মুন্সীগঞ্জ জেলার টংগিবাড়ী সাবরেজিস্ট্রি অফিসে সেরেস্তা খরচের নামে চলছে চাঁদাবাজি। সরকার নির্ধারিত রেজিস্ট্রি ফির বাইরেও দলিল বাবদ মৌজার রাউন্ড ফিগারে প্রতি লাখে ১ শতাংশ অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে। পরে এই টাকার বেশির ভাগ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন। বাকি অংশ যায় দলিল লেখক সমিতিতে।
কয়েকজন দলিল লেখকের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে অফিসি ঝামেলা মেটানোর নামে যে অতিরিক্ত টাকা করা হয়, তাকেই সেরেস্তা খরচ বলা হয়। অফিসের সঙ্গে দলিল লেখক সমিতির নেতাদের যোগসাজশ
সেরেস্তা খরচের নামে চলছে চাঁদাবাজি। সরকার নির্ধারিত রেজিস্ট্রি ফির বাইরেও দলিল বাবদ মৌজার রাউন্ড ফিগারে প্রতি লাখে ১ শতাংশ অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে। পরে এই টাকার বেশির ভাগ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন। বাকি অংশ যায় দলিল লেখক সমিতিতে।
কয়েকজন দলিল লেখকের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে অফিসিয়াল ঝামেলা মেটানোর নামে যে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়, তাকেই সেরেস্তা খরচ বলা হয়। অফিসের সঙ্গে দলিল লেখক সমিতির নেতাদের যোগসাজশ থাকার কারণেই অবৈধ সেরেস্তা খরচের টাকা আদায় বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। অথচ বদনাম হচ্ছে সাধারণ দলিল লেখকদের।
প্রাতিষ্ঠানিক টিমের তদন্তে উঠে আসা একটি ভিডিও ফুটেছে দেখা যায়, “অফিসের নকল নবিশ শাহাদাত হোসেন প্রতিবেদকের সাথে দলিলে মৌজার বাজারমূল্য সরকারি পে-অর্ডারের বিষয়ে কথপোকথনকালে অতিরিক্ত অফিস খরচ অর্থাৎ (অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সেরেস্তা বাবদ) ১ শতাংশ দিতে হবে”।
ভুক্তভোগীরা বলেন, সেরেস্তা খরচের নামে বাড়তি টাকা আদায়ের বিষয়টি ওপেন সিক্রেট।
উপজেলা সাবরেজিস্ট্রার মো: মোজাফফর হোসেন’কে মুঠোফোনে কল করা হলে পাওয়া যায়নি।










