ঢাকা ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল জালিয়াতি, ঘুষ ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ” তুরস্কে ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাত বিষাক্ত মদে পর্যটক মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে পারেনি লাওস যুক্তরাষ্ট্র সফরে ৪৮টি চুক্তি ও অংশীদারিত্বে সই ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশবান্ধব খাতা কলম তৈরি করে সুনাম কুড়িয়েছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শরিফুল বিভিন্ন জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা আই হ্যাভ এ প্ল্যান’- ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন দেশবাসীকে : তথ্যমন্ত্রী এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল ৩ বছর বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-মহাসড়ক দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ: সড়ক প্রতিমন্ত্রী

ফরিদপুরে মাদক বিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৬

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:২০:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফরিদপুর জেলা শহরে অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন অন্তত ৩৬ জন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। টানা কয়েক ঘণ্টার এ অভিযানে শহরের বস্তি এলাকা ও আবাসিক হোটেলগুলোতে তল্লাশি চালানোর কারণে মাদক কারবারি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

 

আজ শনিবার (১৪ মার্চ) ভোররাত থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত শহরের লক্ষ্মীপুর রেলবস্তি, পূর্ব খাবাসপুর, হাজী শরিয়াতুল্লাহ বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

অভিযানে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ, আনসার এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা অংশ নেন।

যৌথ বাহিনীর সদস্যরা শহরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও সন্দেহভাজন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মাদক সেবন ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের আটক করেন। পরে ফরিদপুর সার্কিট হাউসে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।

 

অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন, সেনাবাহিনীর মেজর রোকনুজ্জামান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল সুলতানা ও আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

 

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ডোপ টেস্টের মাধ্যমে আটককৃত ৩৬জনের মধ্যে ২৮ জনকে মাদকসেবী হিসেবে শনাক্ত করা হয়। আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। এছাড়া শহরের কয়েকটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বাকি ৮ নারীকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযান চলাকালে আটক কয়েকজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

 

ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিন্টু বিশ্বাস বলেন, সরকারের নির্দেশনায় ভোর চারটা থেকে লক্ষ্মীপুর রেলবস্তি, পূর্ব খাবাসপুর, হাজী শরিয়াতুল্লাহ বাজার এলাকায় জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‌্যাব, আনসার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অংশ নেয়। এ সময় মাদক সেবনের অভিযোগে ৩৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ৩ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ফরিদপুরে মাদক বিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৬

আপডেট সময় : ০১:২০:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

ফরিদপুর জেলা শহরে অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন অন্তত ৩৬ জন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। টানা কয়েক ঘণ্টার এ অভিযানে শহরের বস্তি এলাকা ও আবাসিক হোটেলগুলোতে তল্লাশি চালানোর কারণে মাদক কারবারি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

 

আজ শনিবার (১৪ মার্চ) ভোররাত থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত শহরের লক্ষ্মীপুর রেলবস্তি, পূর্ব খাবাসপুর, হাজী শরিয়াতুল্লাহ বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

অভিযানে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশ, আনসার এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা অংশ নেন।

যৌথ বাহিনীর সদস্যরা শহরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও সন্দেহভাজন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মাদক সেবন ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের আটক করেন। পরে ফরিদপুর সার্কিট হাউসে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।

 

অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন, সেনাবাহিনীর মেজর রোকনুজ্জামান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল সুলতানা ও আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

 

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ডোপ টেস্টের মাধ্যমে আটককৃত ৩৬জনের মধ্যে ২৮ জনকে মাদকসেবী হিসেবে শনাক্ত করা হয়। আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। এছাড়া শহরের কয়েকটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বাকি ৮ নারীকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযান চলাকালে আটক কয়েকজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

 

ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিন্টু বিশ্বাস বলেন, সরকারের নির্দেশনায় ভোর চারটা থেকে লক্ষ্মীপুর রেলবস্তি, পূর্ব খাবাসপুর, হাজী শরিয়াতুল্লাহ বাজার এলাকায় জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পুলিশ, সেনাবাহিনী, র‌্যাব, আনসার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অংশ নেয়। এ সময় মাদক সেবনের অভিযোগে ৩৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ৩ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।